দারাজ ১১.১১: বিক্রির শীর্ষে ডিটারজেন্ট, পছন্দে ঘড়ি

১ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০৪  

অনলাইন প্লাটফর্মে কেনাকাটার ধরন বদলাতে শুরু করেছে। চিরাচরিত ইলেকট্রনিক্স ও ফ্যাশন পণ্যের চেয়ে এখন নিত্যপণ্য ক্রয়ের অফারে ঝুঁকছেন ক্রেতারা। এমন দৃষ্টান্তই মিলেছে এবারের দারাজ ১১.১১ উৎসবে। টানা ১০ দিনের এই অনলাইন ফ্লাগশিপ মেলায় সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিটারজেন্ট। এর পরের ধাপে ছিলো বডি ওয়াশ, স্যানিটারি ন্যাপকিন, ফোন কভার এবং ক্যাপ ও মোজা। বিক্রির এই উৎসবের ক্রেতাদর ভালোবাসার শীর্ষ তালিকায় ছিলো ছেলে-মেয়েদের ঘড়ি, মোবাইল এক্সেসরিজ, গোসল ও শরীরের যত্নের পণ্য, অডিও ডিভাইস, ও স্কিনকেয়ার প্রসাধনী। আর এসব পণ্য কিনতে মূল্য পরিশোধের এক-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়েছে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস)।

তবে এসময় কতটাকা লেনদেন হয়েছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি দেশের বৃহত্তম এই অনলাইন মার্কেটপ্লেসটি। অবশ্য প্রান্তিক পর্যায়ে দ্রুততম সময়ে সেবা পৌঁছে দেয়ার নজিরা তুলে ধরে জানিয়েছে, চট্টগ্রাম থেকে দিনাজপুর পর্যন্ত ৫৮২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে দেশের দীর্ঘতম ডেলিভারি সম্পন্ন করেছে তারা।

প্রসঙ্গত, গত ১১ নভেম্বর মধ্যরাতে শুরু হয়ে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত চলা ১১.১১ ভোক্তাদের জন্য ৫০ কোটি টাকার ভাউচার, ফ্রি ডেলিভারি সুবিধা এবং ফ্ল্যাশ সেলে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেয় দারাজ।

এই সুযোগে ফ্যাশন, ফার্নিচার ও ডেকর, গ্রোসারি, হেলথ অ্যান্ড বিউটি এবং হোম অ্যাপ্লায়েন্স ক্যাটাগরিগুলোর বিক্রি গত বছরের তুলনায় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে অনলাইন শপটি। তবে এর পরিমাণ, মূল্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ৩০ নভেম্বর এ নিয়ে প্রকাশিত ফটো কার্ড অনুযায়ী, এবারে দারাজ থেকে লোটো, প্যারাস্যুট, টেকনো, হায়ার এবং ডেটল ছিল ক্যাম্পেইনের শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলো বেশি বিক্রি হয়েছে।

এ নিয়ে দারাজ বাংলাদেশের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার এ এইচ এম হাসিনুল কুদ্দুস রুশো বলেন, “১১.১১ ক্যাম্পেইন আবারও দেখিয়েছে কীভাবে ই-কমার্স আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে। ক্রেতা, বিক্রেতা এবং ব্র্যান্ডগুলো আমাদের সঙ্গে একসঙ্গে এই ইভেন্টকে সফল করতে কাজ করেছে। দারাজ গর্বিত যে আমরা এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য এবং আনন্দ যোগ করতে পেরেছি।”